কষে দেখি — 6 (ভগ্নাংশকে পূর্ণসংখ্যা ও ভগ্নাংশ দিয়ে গুণ ও ভাগ)
1. মনে মনে হিসাব করি—
(a) 10 টাকার 12 অংশ কত?
সমাধান: 10 × 12 = 5 টাকা।
(b) 25 টাকার 15 অংশ কত?
সমাধান: 25 × 15 = 5 টাকা।
(c) কত টাকার 13 অংশ 4 টাকা?
সমাধান: ধরি, মোট টাকা = x।
x এর 13 অংশ = 4
বা, x = 4 × 3 = 12 টাকা।
(d) কত মিনিটের 16 অংশ 6 মিনিট।
সমাধান: ধরি, মোট সময় = x মিনিট।
x এর 16 অংশ = 6
বা, x = 6 × 6 = 36 মিনিট।
(e) আমি মালার থেকে তার এক ঝুড়ি আমের 13 অংশ আম নিলাম। আমি যদি 7 টি আম নিই তাহলে মালার ঝুড়িতে কতগুলি আম ছিল হিসাব করি।
সমাধান: মোট আমের 13 অংশ = 7 টি।
∴ মোট আম ছিল = 7 ÷ 13 = 7 × 3 = 21 টি।
(f) উপরের ছবির বৃত্তের 27 অংশ বৃত্তে লাল রং, ত্রিভুজের 13 অংশ ত্রিভুজে সবুজ রং, চতুর্ভুজের 15 অংশ চতুর্ভুজে নীল রং দিই।
সমাধান:
ছবিতে মোট বৃত্ত আছে = 7 টি। ∴ লাল রং দিতে হবে = 7 × 27 = 2 টি বৃত্তে।
ছবিতে মোট ত্রিভুজ আছে = 6 টি। ∴ সবুজ রং দিতে হবে = 6 × 13 = 2 টি ত্রিভুজে।
ছবিতে মোট চতুর্ভুজ আছে = 5 টি। ∴ নীল রং দিতে হবে = 5 × 15 = 1 টি চতুর্ভুজে।
(g) আজ বাবা 10 লিটার খাবার জল কাছের টিউবয়েল থেকে এনেছেন। মা 15 অংশ জলে রান্না করলেন। বাকি জলের 14 অংশ জল খাওয়ার পরে এখনও কত জল পড়ে আছে হিসাব করি।
সমাধান:
মোট জল = 10 লিটার।
রান্না করলেন = 10 এর 15 অংশ = 10 × 15 = 2 লিটার।
বাকি জল = 10 – 2 = 8 লিটার।
খাওয়ার জন্য নেওয়া হলো = 8 এর 14 অংশ = 8 × 14 = 2 লিটার।
এখনও জল পড়ে আছে = 8 – 2 = 6 লিটার।
2. মান খুঁজি —
সমাধান:
(i) 3 × 611 = 1811 = 1711
(ii) 11 × 23 = 223 = 713
(iii) 73 × 52 = 356 = 556
(iv) 38 × 64 = 38 × 32 = 916
(v) 649 × 73 = 27 × 1 = 27
(vi) 1528 × 213 = 1528 × 73 = 54 = 114
(vii) 4813 × 745 = 6013 × 395 = 12 × 3 = 36
(viii) 235 × 6 = 135 × 6 = 785 = 1535
3. একটি বালতিতে 12 লিটার জল ধরে। এইরকম 7টি বালতিতে কত লিটার জল ধরে হিসাব করি।
সমাধান:
1 টি বালতিতে জল ধরে = 12 লিটার।
∴ 7 টি বালতিতে জল ধরবে = 12 × 7 লিটার = 72 লিটার = 312 লিটার।
4. অখিলবাবু অবসর গ্রহণের পর তার সম্পত্তির 14 অংশ পাড়ার লাইব্রেরিতে দান করেন। বাকি সম্পত্তির 16 অংশ স্ত্রীকে দেন। বাকি অংশ দুই ছেলের মধ্যে সমান ভাগে ভাগ করে দেন। হিসাব করি দেখি অখিলবাবু স্ত্রীকে ও দুই ছেলের প্রত্যেককে কত অংশ সম্পত্তি দিলেন।
সমাধান:
ধরি, অখিলবাবুর মোট সম্পত্তি = 1 অংশ।
পাড়ার লাইব্রেরিতে দান করেন = 14 অংশ।
বাকি সম্পত্তি = 1 – 14 = 4 – 14 = 34 অংশ।
স্ত্রীকে দিলেন বাকি সম্পত্তির 16 অংশ।
∴ স্ত্রী পেলেন = 34 এর 16 অংশ = 34 × 16 = 18 অংশ।
বাকি সম্পত্তি = 34 – 18 = 6 – 18 = 58 অংশ।
এই 58 অংশ সম্পত্তি দুই ছেলের মধ্যে সমান ভাগে ভাগ করা হলো।
∴ প্রত্যেক ছেলে পেল = 58 ÷ 2 = 58 × 12 = 516 অংশ।
5. 150 টাকার 12 অংশ থেকে কত টাকা নিলে 30 টাকা পড়ে থাকবে।
সমাধান:
150 টাকার 12 অংশ = 150 × 12 টাকা = 75 টাকা।
75 টাকা থেকে কিছু টাকা নিলে 30 টাকা পড়ে থাকবে।
∴ নেওয়া টাকার পরিমাণ = (75 – 30) টাকা = 45 টাকা।
6. 67 এর 3 গুণের সাথে কত যোগ করলে 267 হবে?
সমাধান:
67 এর 3 গুণ = 67 × 3 = 187
যোগফল হতে হবে = 267 = 207
∴ যোগ করতে হবে = 207 – 187 = 20 – 187 = 27
7. শহরের একটা অনুষ্ঠানে প্রথম বছর 1400 জন দর্শক এসেছিলেন। পরের বছর দর্শক সংখ্যা প্রথম বছরের চেয়ে 710 অংশ বেড়ে গেল। পরের বছরে মোট কতজন দর্শক এসেছিলেন হিসাব করি।
সমাধান:
প্রথম বছর দর্শক সংখ্যা = 1400 জন।
পরের বছর দর্শক বাড়ল = 1400 এর 710 অংশ = 1400 × 710 = 140 × 7 = 980 জন।
∴ পরের বছরে মোট দর্শক এসেছিলেন = 1400 + 980 = 2380 জন।
8. নীচের সংখ্যাগুলির অনন্যক খুঁজি ও যাদের অনন্যক প্রকৃত ভগ্নাংশ তাদের (গোল চিহ্ন) দিই।
সমাধান:
(কোনো ভগ্নাংশের লব ও হরকে উল্টে দিলে তার অনন্যক পাওয়া যায়। প্রকৃত ভগ্নাংশে লব হরের চেয়ে ছোটো হয়।)
(i) 75 -এর অনন্যক = 57 (এটি প্রকৃত ভগ্নাংশ, তাই গোল চিহ্ন হবে ⭕)
(ii) 13 -এর অনন্যক = 3 (বা 31)
(iii) 58 -এর অনন্যক = 85
(iv) 97 -এর অনন্যক = 79 (এটি প্রকৃত ভগ্নাংশ, তাই গোল চিহ্ন হবে ⭕)
(v) 125 -এর অনন্যক = 512 (এটি প্রকৃত ভগ্নাংশ, তাই গোল চিহ্ন হবে ⭕)
(vi) 58 -এর অনন্যক = 85
(vii) 18 -এর অনন্যক = 8 (বা 81)
9. কোন সংখ্যার অনন্যক সেই সংখ্যার সমান।
সমাধান:
1 (এক) এর অনন্যক 1। তাই 1 এর অনন্যক সেই সংখ্যার সমান।
10. রমার কাছে যতগুলি স্ট্যাম্প আছে তার 23 অংশ আমাকে দিল। রমা যদি 18টি স্ট্যাম্প আমাকে দেয় তবে রমার কাছে কতগুলি স্ট্যাম্প ছিল হিসাব করি।
সমাধান:
রমা তার স্ট্যাম্পের 23 অংশ আমাকে দিল।
প্রশ্নানুসারে, 23 অংশ = 18 টি স্ট্যাম্প।
∴ 1 বা সম্পূর্ণ অংশ = 18 ÷ 23 = 18 × 32 = 9 × 3 = 27 টি।
উত্তর: রমার কাছে মোট 27 টি স্ট্যাম্প ছিল।
11. রাজিয়া তার টাকার 25 অংশ দেবনাথকে ও 310 অংশ সুনিতাকে দেওয়ার পরে তার কাছে 180 টাকা রইল। প্রথমে রাজিয়ার কাছে কত টাকা ছিল হিসাব করি।
সমাধান:
ধরি, রাজিয়ার কাছে প্রথমে মোট 1 অংশ টাকা ছিল।
দেবনাথ ও সুনিতাকে মোট দিল = 25 + 310 অংশ
= 4 + 310 = 710 অংশ।
বাকি টাকা রইল = 1 – 710 = 10 – 710 = 310 অংশ।
প্রশ্নানুসারে, এই 310 অংশ = 180 টাকা।
∴ 1 বা সম্পূর্ণ অংশ = 180 ÷ 310 = 180 × 103 = 60 × 10 = 600 টাকা।
উত্তর: প্রথমে রাজিয়ার কাছে 600 টাকা ছিল।
12. মান খুঁজি —
সমাধান:
(i) 15 ÷ 53 = 15 × 35 = 3 × 3 = 9
(ii) 14 ÷ 72 = 14 × 27 = 2 × 2 = 4
(iii) 613 ÷ 3 = 613 × 13 = 213
(iv) 1219 ÷ 6 = 1219 × 16 = 219
(v) 515 ÷ 132 = 265 ÷ 132 = 265 × 213 = 45
(vi) 225 ÷ 115 = 125 ÷ 65 = 125 × 56 = 2
(vii) 437 ÷ 327 = 317 ÷ 237 = 317 × 723 = 3123 = 1823
13. ঠিক উত্তরটি খুঁজে দাগ দিই —
সমাধান:
(i) 34 -এর মধ্যে 116 কতবার আছে হিসাব করি।
34 ÷ 116 = 34 × 16 = 3 × 4 = 12
উত্তর: (b) 12
(ii) একটি ফিতের 78 অংশের দৈর্ঘ্য 56 মিটার। ফিতের মোট দৈর্ঘ্য কত হতে পারে হিসাব করি ও দাগ দিই।
ফিতের মোট দৈর্ঘ্য = 56 ÷ 78 = 56 × 87 = 8 × 8 = 64 মিটার।
উত্তর: (b) 64 মিটার
(iii) 567 এর অনন্যক হলো—
567 = 417। এর অনন্যক হবে লব ও হর উল্টে দিলে, অর্থাৎ 741।
উত্তর: (c) 741
14. 1623 মিটার লম্বা ফিতের 38 অংশ কেটে নিয়ে তাকে সমান 5 টি ভাগে কাটলে একটি টুকরোর দৈর্ঘ্য কী পাব হিসাব করি।
সমাধান:
ফিতের মোট দৈর্ঘ্য = 1623 মিটার = 503 মিটার।
ফিতে কেটে নেওয়া হলো = 503 মিটারের 38 অংশ
= 503 × 38 মিটার = 508 মিটার = 254 মিটার।
এই কাটা অংশকে সমান 5 ভাগে ভাগ করলে 1টি টুকরোর দৈর্ঘ্য হবে:
= 254 ÷ 5
= 254 × 15 = 54 মিটার = 114 মিটার。
উত্তর: একটি টুকরোর দৈর্ঘ্য 114 মিটার হবে।
15. জানালার পর্দা তৈরির জন্য বাবা 12710 মিটার লম্বা পর্দার কাপড় কিনে আনলেন। কিন্তু বাড়িতে 535 মিটার লম্বা পর্দার কাপড় ছিল। তিনটি জানালার প্রতি পর্দায় 456 মিটার লম্বা কাপড় লাগল। এখনও আরও কত মিটার লম্বা পর্দার কাপড় পড়ে আছে হিসাব করি।
সমাধান:
মোট পর্দার কাপড় = 12710 + 535 মিটার
= 12710 + 285
= 127 + 5610 = 18310 মিটার।
তিনটি জানালায় মোট কাপড় লাগল = 3 × 456 মিটার
= 3 × 296 = 292 মিটার।
বাকি কাপড় পড়ে আছে = 18310 – 292
= 183 – 14510 = 3810 = 195 = 345 মিটার。
উত্তর: এখনও 345 মিটার লম্বা পর্দার কাপড় পড়ে আছে।
16. আজ আমার ঠাকুমা অনেকটা কুলের আচার তৈরি করলেন। তিনি সেই আচারের 47 অংশ কাঁচের শিশিতে ভরতি করে তুলে রাখলেন এবং বাকিটা আমাদের 6 জনের মধ্যে সমান ভাগে ভাগ করে দিলেন। হিসাব করে দেখি আমরা প্রত্যেকে মোট আচারের কত অংশ পেলাম।
সমাধান:
ধরি, মোট আচার = 1 অংশ।
শিশিতে রাখলেন = 47 অংশ।
বাকি আচার = 1 – 47 = 7 – 47 = 37 অংশ।
এই 37 অংশ আচার 6 জনের মধ্যে সমান ভাগে ভাগ করা হলো।
∴ প্রত্যেকে পেল = 37 ÷ 6
= 37 × 16 = 114 অংশ。
উত্তর: আমরা প্রত্যেকে মোট আচারের 114 অংশ পেলাম।
17. মেহবুব ও তার দল ঠিক করেছে 33 দিনে 241115 কিমি. রাস্তা তৈরি করবেন। তাঁরা প্রতিদিন 1115 কিমি. করে 25 দিন রাস্তা তৈরি করলেন। এবার ঠিক সময়ে বাকি কাজ শেষ করতে হলে তাঁদেরকে বাকি দিনের প্রতিদিন কতটুকু করে রাস্তা তৈরি করতে হবে?
সমাধান:
তাঁরা 25 দিনে মোট রাস্তা তৈরি করেছেন = 25 × 1115 কিমি = 553 কিমি।
মোট রাস্তা তৈরি করতে হবে = 241115 কিমি = 37115 কিমি।
বাকি রাস্তা = 37115 – 553
= 371 – 27515 = 9615 = 325 কিমি।
বাকি দিন = 33 – 25 = 8 দিন।
∴ ঠিক সময়ে কাজ শেষ করতে হলে বাকি দিনগুলোতে প্রতিদিন রাস্তা তৈরি করতে হবে = 325 ÷ 8
= 325 × 18 = 45 কিমি。
উত্তর: তাঁদেরকে প্রতিদিন 45 কিমি. করে রাস্তা তৈরি করতে হবে।
18. 5 -এর সঙ্গে 37 যোগ করে যোগফলকে 423 দিয়ে গুণ করি। এবার এই গুণফলকে 449 দিয়ে ভাগ করে ভাগফলটি 825 থেকে বিয়োগ করি ও বিয়োগফল কী পেলাম হিসাব করে লিখি।
সমাধান:
গাণিতিক ভাষায় সমস্যাটি হলো:
825 – [ {(5 + 37) × 423} ÷ 449 ]
প্রথম ধাপ (যোগ): 5 + 37 = 387
দ্বিতীয় ধাপ (গুণ): 387 × 423 = 387 × 143 = 38 × 23 = 763
তৃতীয় ধাপ (ভাগ): 763 ÷ 449 = 763 ÷ 409 = 763 × 940 = 19 × 310 = 5710
চতুর্থ ধাপ (বিয়োগ): 825 – 5710 = 425 – 5710 = 84 – 5710 = 2710 = 2710
উত্তর: বিয়োগফল পেলাম 2710।
19. সরল করি —
সমাধান:
(i) 15 + 23 – 12
= 6 + 20 – 1530 = 1130
(ii) 15 + 12 – 215 – 16
= 6 + 15 – 4 – 530 = 1230 = 25
(iii) 712 + 529 + 1118 – 2512
= 712 + 479 + 1118 – 2912
= 21 + 188 + 22 – 8736 = 14436 = 4
(iv) 312 + 76 × 38 – 524
= 72 + 716 – 524
= 168 + 21 – 1048 = 17948 = 33548
(v) 38 ÷ 23 এর 19 এর 116
(প্রথমে ‘এর’ এর কাজ করতে হবে)
= 38 ÷ (23 × 19 × 116)
= 38 ÷ 1216 = 38 × 216 = 3 × 27 = 81
(vi) 625 + 313 + 12 – 710
= 325 + 103 + 12 – 710
= 192 + 100 + 15 – 2130 = 28630 = 14315 = 9815
(vii) {1116 ÷ (56 + 23)} – 13
= {1116 ÷ 5 + 46} – 13
= {1116 ÷ 96} – 13
= {1116 × 69} – 13 = 1124 – 13
= 11 – 824 = 324 = 18
(viii) 423 ÷ 23 – 38
= 143 × 32 – 38
= 7 – 38 = 56 – 38 = 538 = 658
(ix) (234 + 312 ÷ 217) ÷ 1314
= (114 + 72 ÷ 157) ÷ 534
= (114 + 72 × 715) ÷ 534
= (114 + 4930) ÷ 534
= 165 + 9860 × 453 = 26360 × 453 = 263795
(x) 1 – [ 12 ÷ { 2 – 12 ( 12 – 13 – 16 ) } ]
= 1 – [ 12 ÷ { 2 – 12 ( 3 – 2 – 16 ) } ]
= 1 – [ 12 ÷ { 2 – 12 × 0 } ]
= 1 – [ 12 ÷ 2 ]
= 1 – [ 12 × 12 ] = 1 – 14 = 34
(xi) 2110 × 13 ÷ 425 × 18
= 2110 × 13 × 254 × 18
= 710 × 2532 = 7 × 52 × 32 = 3564
(xii) 112 [ 312 ÷ 213 { 114 ÷ ( 2 + 323 ) } ]
(বিঃদ্রঃ বন্ধনীর আগে কোনো চিহ্ন না থাকলে ‘এর’ (of) ধরে সমাধান করা হয়)
= 32 এর [ 72 ÷ 73 এর { 54 ÷ (6 + 113) } ]
= 32 এর [ 72 ÷ 73 এর { 54 × 317 } ]
= 32 এর [ 72 ÷ 73 এর 1568 ]
= 32 এর [ 72 ÷ 3568 ]
= 32 এর [ 72 × 6835 ]
= 32 এর 345 = 32 × 345 = 515 = 1015
(xiii) (1113 × 235) ÷ (712 × 3110) ÷ 28279
= (1413 × 135) ÷ (152 × 3110) ÷ 28279
= 145 ÷ 934 ÷ 28279
= 145 × 493 × 27928
= 14 × 4 × 2795 × 93 × 28 = 1 × 4 × 35 × 1 × 2 = 1210 = 65 = 115
20. (i) 23 -এর সঙ্গে কোণাকুণি সংখ্যাগুলি গুণ করে গুণফল বাইরের কোণাকুণি ফাঁকা বৃত্তগুলিতে লিখি।
(ii) 23 -কে আড়াআড়ি এবং লম্বালম্বি সংখ্যাগুলি দিয়ে ভাগ করে ভাগফল বাইরের ফাঁকা বৃত্তগুলিতে লিখি।
সমাধান:
বইয়ের চিত্রের মাঝের সংখ্যাটি হলো 23। তীরচিহ্ন অনুযায়ী গুণ ও ভাগের ফলাফল নিচে দেওয়া হলো:
(i) কোণাকুণি গুণফলসমূহ:
* উপর-বাঁদিকের বৃত্ত: 23 × 112 = 23 × 32 = 1
* উপর-ডানদিকের বৃত্ত: 23 × 92 = 3
* নীচ-বাঁদিকের বৃত্ত: 23 × 910 = 35
* নীচ-ডানদিকের বৃত্ত: 23 × 38 = 14
(ii) আড়াআড়ি ও লম্বালম্বি ভাগফলসমূহ:
* উপরের বৃত্ত: 23 ÷ 16 = 23 × 6 = 4
* নীচের বৃত্ত: 23 ÷ 49 = 23 × 94 = 112
* বাঁদিকের বৃত্ত: 23 ÷ 89 = 23 × 98 = 34
* ডানদিকের বৃত্ত: 23 ÷ 113 = 23 ÷ 43 = 23 × 34 = 12